ওই ছেলেটা কে, যাকে কপালে “faggot”
লিখে পিটিয়ে মেরে ফেলা হয়েছিল?
ওই মেয়েটা কে তার বাবা, কাকা বা দাদা sexually molest
করে?
ওই অল্প বয়সী ছেলেমেয়েগুলো কারা, যাদের Discoতে লাঠিসোটা নিয়ে হামলা করা
হয়েছিল?
আমি এদের মধ্যে কাদের সঙ্গে identify করবো-
যারা এই সব কাজের শিকার না যারা এই কাজগুলো করছে। প্রশ্নের উত্তরটা কিন্তু অতটা
সহজ নয়। victimhood এর সঙ্গে identify
করা হয় exclusion-এর মাধ্যমে। “আহা বেচারা
ওরা” বলে নিজের নিরাপদ দূরত্ব থেকে। তার মধ্যে সহমর্মিতা থাকলেও, একাত্মতা থাকেনা।
আর যারা এই সব যারা করে তাদের সঙ্গে identify করে...?
আমি খুব দিশেহারা লাগছে। আমি ঠিক কোন position-এ অবস্থান করি? কোন দেশে? কোন জাতে? কোন ধর্মে? ছোটবেলা থেকে জেনেছি আমার
দেশ মহান, আমার জাতি উন্নত আর আমার ধর্ম অনন্য।
আমি জানতাম যে আমি এমন একটা দেশের মানুষ যে দেশ
বিদেশী হানাদারদেরও নিজের ভূমি, নিজের সংস্কৃতিতে অন্তর্ভুক্ত করে নিতে পারে। আমার
ধারনা হয়েছিল যে আমার জাতি বুদ্ধি এবং শিক্ষাকে সর্বোপরি গুরুত্ব দেয়। আমায় শেখানো
হয়েছিল আমার ধর্মে কোনও অনুষ্ঠান বা নিয়মাবলী ছাড়াই নতুন সদস্যকে আপন করে নেওয়া
হয়। আমি জানতাম এ দেশ তিনটি স্তম্ভের ওপর গড়া- truth, tolerance আর
non-violence.
কিন্তু এখন আমার খুব ভয় করছে যে আমার সেসব ধারনা
নিছকই ছেলেমানুষি। আমার গুরুজনের শেখানো এই সব ideology আর
কি কোনও স্থানই নেই?
কাকে ভোট দেব আমি আর কেনই বা? কখনো কখনো একজনের জন্যেও
পুরো সমাজটাকে বদলাতে হয়। আর এক্ষেত্রে তো আমি জানি যে আমি একা নয় এমন
চিন্তাধারায়। আমি ছাত্র হিসেবে ভয় পাচ্ছি, আমি একজন মেয়ে হিসেবে ভয় পাচ্ছি আমি
একজন উভয়-কামী হিসেবে ভয় পাচ্ছি। আমাকে কি আমার নিজের দেশে এভাবে ভয়ে ভয়ে নিঃশ্বাস
ফেলতে হবে? কেনও?
যে আমায়ে সেই নিরাপত্তা দিতে পারবে আমি সুধু তাকেই
ভোট দেব। আর যত দিন সেরকম কাউকে পাচ্ছিনা no-vote option তো আছেই। নিজের ভোট নষ্ট করে,
rigging সুবিধে করে দেওয়ার
চেয়ে no-vote option ব্যাবহার
কোরাই শ্রেয়। আমি তাই করব।
No comments:
Post a Comment