Thursday, 3 December 2015

সংগোপন


পরে থাকা সিগারেটের স্মৃতি
ঠোঁটে লাগতেই জ্বলে উঠলো
ধোঁওয়ারা উথালি পাথালি হাওয়ায়
ছড়িয়ে ছিটিয়ে গেলো
যে যার মতো
বুকে বন্ধ আগুন বলল
শান্ত হও, গড়তে শেখো
এখনো………


তোমার ছোঁয়া পুড়ছে আমার 
শরীর জুড়ে
চলছে মানুষ, বলছে
কথা ব্যাঙ্গ করে
এসব জেনে, সব ই বুঝে, হাত ধরেছি
বিষাদজয়ী হবই স্বপ্ন পূরণ করে


সুস্থ সবল বন্ধ আগল
সংগোপন আর স্মৃতি
তোমার সঙ্গে ছুটছে দেখ
সময় শেষের ভীতি
রুগ্ন এমন গন্ধ কোমল
শ্বাস-প্রশ্বাসে বিষ
অর্পণ আর প্রত্যাখ্যান
দ্বন্দ অহর্নিশ

Sunday, 1 November 2015

Mortem

Sharp and dazzling was the knife
Treated and white was the skin
Contact and clash
But there was no blood

She was dead within…

Saturday, 31 October 2015

পরবাসী

দুইজন পাশাপাশি ঘরে,
রোজ রোজ একা একা থাকি।
চৌকাঠ পেরলে বিকেল,
এখনও আলোকবর্ষ বাকি...
এভাবেও ফিরে আশা যায়ে
স্যঁৎস্যঁতে পুরনো প্রেয়সী-
সব ভুলে ঘরে ফেরা যায়ে?

দুপুর গড়িয়ে গড়িমসি।

Thursday, 24 September 2015

Bengali viewers get the director they deserve: The deceiver

বাঙ্গালীর অশিক্ষা কি চূড়ান্ত হয়েছে যে ভারতীও জাতীয় সঙ্গীতের “Bengali version” নিয়ে মেতে উঠেছে। উচ্ছ্বাসটা কিন্তু অবাঙ্গালী সম্প্রদায়ের তৈরি করা নয়। Neo-Bengali সিনেমার ধারক ও বাহক সৃজিত মূর্খাজি(intended)র “whispering campaign”. এটা একই সঙ্গে দুর্ভাগ্যজনক ও হাস্যকর। দুর্ভাগ্যজনক দুটি কারণে- প্রথমত, বাংলার একজন দায়িত্বশীল পরিচালক হিসেবে এই ধরণের প্রচারের বীরুধে মুখ খুলছেন না সৃজিত...অবশ্য তাহলে ধরে নিতে হয় যে এই প্রচারে তাঁর সায় নেই, নেই কি? না থাকলে তাঁরই তো উচিৎ প্রথমেই এর বিরোধিতা করা। কিন্তু তা তিনি করছেননা। অতএব ধরে নিতে হবে এ তারই propagated advertisement stunt.

দ্বিতীয়ত, যারা এই তথাকথিত জাতীয় সঙ্গীতের “Bengali version” share like করছেন তারা কি একেবারে ভুলে গেছেন যে ভারতের জাতীয় সঙ্গীত আদপে বাংলাতেই লেখা? তাও আবার কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত? গানটির সুর ও তাঁরই দেওয়া?

জনগণমন-অধিনায়ক জয় হে ভারতভাগ্যবিধাতা!
পঞ্জাব সিন্ধু গুজরাট মরাঠা দ্রাবিড় উৎকল বঙ্গ
বিন্ধ্য হিমাচল যমুনা গঙ্গা উচ্ছলজলধিতরঙ্গ
তব শুভ নামে জাগে, তব শুভ আশিষ মাগে,
গাহে তব জয়গাঁথা।

জনগণমঙ্গলদায়ক জয় হে ভারতভাগ্যবিধাতা!
জয় হে, জয় হে, জয় হে, জয় জয় জয় জয় হে।।


সংবিধান অনুজায়ই এতটুকই আছে আমাদের জাতীয় সঙ্গীত হিসেবে। তবে গানটি এখানেই শেষ হয়ে যায়ে না। অন্যেরা না জানুক, বাঙ্গালীদের তো জানা উচিৎ সেটা? 


অহরহ তব আহ্বান প্রচারিত, শুনি তব উদার বাণী
হিন্দু বৌদ্ধ শিখ জৈন পারসিক মুসলমান খৃস্টানী
পূরব পশ্চিম আসে তব সিংহাসন-পাশে
প্রেমহার হয় গাঁথা।
জনগণ-ঐক্য-বিধায়ক জয় হে ভারতভাগ্যবিধাতা!
জয় হে, জয় হে, জয় হে, জয় জয় জয় জয় হে।।

পতন-অভ্যুদয়-বন্ধুর পন্থা, যুগ যুগ ধাবিত যাত্রী।
হে চিরসারথি, তব রথচক্রে মুখরিত পথ দিনরাত্রি।
দারুণ বিপ্লব-মাঝে তব শঙ্খধ্বনি বাজে
সঙ্কটদুঃখত্রাতা।
জনগণপথপরিচায়ক জয় হে ভারতভাগ্যবিধাতা!
জয় হে, জয় হে, জয় হে, জয় জয় জয় জয় হে।।

ঘোর তিমিরঘন নিবিড় নিশীথে পীড়িত মূর্ছিত দেশে
জাগ্রত ছিল তব অবিচল মঙ্গল নতনয়নে অনিমেষে।
দুঃস্বপ্নে আতঙ্কে রক্ষা করিলে অঙ্কে
স্নেহময়ী তুমি মাতা।
জনগণদুঃখত্রায়ক জয় হে ভারতভাগ্যবিধাতা!
জয় হে, জয় হে, জয় হে, জয় জয় জয় জয় হে।।

রাত্রি প্রভাতিল, উদিল রবিচ্ছবি পূর্ব-উদয়গিরিভালে –
গাহে বিহঙ্গম, পূণ্য সমীরণ নবজীবনরস ঢালে।
তব করুণারুণরাগে নিদ্রিত ভারত জাগে
তব চরণে নত মাথা।
জয় জয় জয় হে জয় রাজেশ্বর ভারতভাগ্যবিধাতা!
জয় হে, জয় হে, জয় হে, জয় জয় জয় জয় হে।।



কিন্তু সমস্যা কথায় জানেন? সে কথা বেমালুম চেপে গিয়ে, পুরনো মদ নূতন বোতলে packaging মেরে এই সুযোগে কিছু বাহবা কুরিয়ে নিতে চান চিত্রপরিচালক। পর পর কয়েকটা ছবি মুখথুবড়ে পড়ায়ে এবং আলটপকা একটা parallel ছবি commercially সফল হয়ে যাওয়ায় মরিয়া হয়ে পরেছেন সৃজিত। কবিগুরুর আপন credit বোকা বাঙ্গালির মাথায় হাত বুলিয়ে যদি নিজের গায়ে মেখে নেওয়া যায়ে, এই চেষ্টাতেই আছেন তিনি। কিছু দর্শক, কটি পয়সা, আরও কিছুদিন Shree Vyankatesh এর ছত্রছায়া...এসব এর লোভে মরিয়া হয়ে উঠেছেন তিনি।
বুঝি। কিন্তু তাতে আমার ভারী বয়ে গেছে। সৃজিতের যদি এই করে নাম হয়, তাতে কবিগুরুর অপমান ও অবমাননা হয়। আমি তা মেনে নিতে পারিনা। আপনি পারছেন কি করে? #BoycottRajkahini


Saturday, 7 February 2015

কানে গান না থাকলে যা হয় আর কি...

আজকে রাস্তা দিয়ে হেঁটে বাড়ি ফেরার সময় ঘটনাচক্রে আমার কানে গান ছিল না বলে কয়েকটি interesting বাক্যালাপ শোনার সুযোগ পেলাম।

সংলাপ ১:
নারী :ওই  office এ মাথার ঠিক রাখা যায় না।
পুরুষ :Mind over matter, just remember, mind over matter.
ভদ্রলোক  Context-টা গুলিয়ে ফেলেছেন বেচারা...

সংলাপ ২:
যুবক : "Till I can remember he was never like that beforehand."
যতদূর মনে হয় সে যা বোঝাতে চেয়েছিল তা হল এই-"For as long as I can remember, he was never like this before. "

সংলাপ ৩:
এক পুলিশ কর্মী অন্যকে: যত বেশি শিক্ষিত, তত বড় গাড়ী, তত বেশি আইন ভাঙার হিড়িক!
হায় কপাল আমার! প্রতিপত্তি আর শিক্ষা এক জিনিস নয়.. এবং বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই এক স্থানে বসত্ করে না।

চোখ বুজে কোনো কোকিলের দিকে ফেরাবো কান ভাবতে ভাবতে আমি কানে গান গুজেনিলাম।

You can call me elitist, you can call me escapist... But I'm better off. Real thing never happens to me.